October 17, 2026, 7:58 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির হাজার শিক্ষার্থীর নবীনবরণ মক্কার মসজিদে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, দুই বাংলাদেশী নারী-পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর রূপপুরে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন, পর্যবেক্ষণে ২০ হাজার যন্ত্রপাতি সমাবর্তনের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সকল কমিটিকে নির্দেশনা উপাচার্যের কুষ্টিয়ায় জমি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি কুষ্টিয়ায় মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা ইসির: প্রথম ধাপের ভোট ২১ জানুয়ারি, শেষ হবে মে মাসে ডেঙ্গু: শুধু মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, রাষ্ট্রের সক্ষমতাকেও চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে? কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্তে পুশইনের দুটি চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন খাতকে নতুনভাবে সাজাতে হবে: ইবি উপাচার্য

কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে গুলি করে মা-ছেলে সহ ৩ খুনের ঘটনায় এএসআই সৌমেন এর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
কুষ্টিয়ার চাঞ্চল্যকর মা-ছেলে সহ ৩ খুনের মামলার একমাত্র আসামী পুলিশের বরখাস্ত এএসআই সৌমেন রায় এর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছে ্আদালত। সোমবার শেষ কার্য মুহুর্তে সৌমেন রায় কে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় কুষ্টিয়ার জেলা ও দায়রা জজ শেখ আবু তাহের ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬৫ (ঘ) ধারায় তাকে তার ৩ খুনের অপরাধ পড়ে শোনান।
সৌমেন নিজেকে নির্দোষ দাবি করার পর আদালত তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের নির্দেশ দেন। আদালত জানান আগামী যে কোন ধার্য তারিখে সাক্ষী গ্রহন করা হবে।
গত ১৩ জুন ২০২১ রোববার বেলা ১২ টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের কাস্টমস মোড়ে সৌমেনের কথিত স্ত্রী ও তার ৬ বছর বয়সী শিশুসহ তিনজনকে নিজ সরকারী পিস্তল দিয়ে গুলি করে হত্যা করে।
ঘটনার পর থেকে সৌমেন রায় জেল হাজতে রয়েছেন।
গুলিতে নিহতরা হলেন আসমা খাতুন (৩০) ও তার ছেলে রবিন (৬) এবং সঙ্গে থাকা আসমার বন্ধু শাকিল (৩৫)। এদের মধ্যে আসমা ও তার ছেলে কুমারখালী নাটুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও শাকিল সাওতা গ্রামের বাসিন্দা, তারা কুষ্টিয়া শহরে বসবাস করতেন। শাকিল বিকাশের এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন। খুনের ঘটনার দিন রাতেই নিহত শাকিল হোসেনের বাবা মেজবার রহমান কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার সময় এএসআই সৌমেন রায় খুলনার ফুলতলা থানায় কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি মাগুরা জেলায়। তিনি একসময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানায় কর্মরত ছিলেন। কুমারখালী থানাতে থাকাকালীন তিনি ঐ নারীর সাথে সম্পর্কে জড়ান। পরে তাকে বিয়ে করেন বলে দাবি আসমার পরিবারের।
তবে কি কারনে এ হত্যার ঘটনা ঘটে সেটা পুলিশ এখনও পরিস্কার না করলেও জানা গেছে সৌমেন আসমার সন্তান রবিনকে তার মায়ের বাড়িতে রেখে তার সাথে খুলনায় আলাদা বাসায় থাকবার জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। আসমা তার ছেলের কথা ভেবে সৌমেনের প্রস্তাবে রাজি না হলে সে প্রথমে আসমাকে পরে তার ছেলেকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। এ সময় শাকিল ছুটে এলে তাকেও সে হত্যা করে।
এ নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞোর পর সৌমেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিমের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেন। ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে, তিনি বলেন প্রচন্ড রাগের মাথায় তিনি এ কাজ করেছেন। তবে ৬ বছরের শিশুটিকে হত্যা করা তার অপরাধ ছিল সে আদালতকে জানায়।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net